ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho - Current & Breaking News Bangladesh & World

সর্বশেষ
সরানো হচ্ছে সড়ক পরিবহনের শেখ রবিকে, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে আলোচনায় নতুন মুখ

সরানো হচ্ছে সড়ক পরিবহনের শেখ রবিকে, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে আলোচনায় নতুন মুখ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার কলেবর আরও বাড়ছে। সে ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে। পাশাপাশি কয়েকটি দপ্তরে রদবদলের হওয়ার বিষয়টি সরকার ও বিএনপির উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করার পর আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।মূলত জনসেবা ও প্রশাসনের গতি বাড়াতে শিগগিরই এ সম্প্রসারণ হতে পারে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শেখ রবিউল আলম রবিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকেও সরানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আরও কয়েকজনকেও সরিয়ে একক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য হচ্ছে, যেসব মন্ত্রণালয়ে কাজের চাপ বেশি, সেখানে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা। একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব একটি মাত্র দপ্তরে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছেন তিনি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। বর্তমানে অর্থ, বাণিজ্য, শিক্ষা ও পরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর কাঁধে থাকায় কাজের গতি ধীর হচ্ছে। এ চাপ সামলাতে এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো প্রধানমন্ত্রীর একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হতে পারে। ২০০১ সালেও বিএনপি সরকারের সময় প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৬০ জনে উন্নীত করা হয়েছিল। নতুন পদক্ষেপে কয়েকজন উপমন্ত্রী ও সংরক্ষিত নারী আসন থেকে একজন সদস্যকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিকরা। এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও হাবিবুন্নবী খান সোহেল এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলের নাম শোনা যাচ্ছে। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সংসদ উপনেতা হিসেবে নিযুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে। আলোচনায় আছেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন, দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহিদুর রহমান, কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। একাধিক অঞ্চলও গুরুত্ব পেতে পারে।এরইমধ্যে বিএনপি সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (১ জুন) সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। দলটির মনোনয়নে পার্বত্য রাঙামাটি থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান। রাঙামাটি আসনে প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে সর্বোচ্চ ব্যবধানে বিজয়ী হন তিনি। এরপর তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি পদত্যাগ করায় এ মন্ত্রণালয়েও নতুন মুখ আসবে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে অর্থ, বাণিজ্য, শিক্ষা ও পরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর কাঁধে থাকায় কাজের গতি ধীর হচ্ছে। এ চাপ সামলাতে এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো প্রধানমন্ত্রীর একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হতে পারে। ২০০১ সালেও বিএনপি সরকারের সময় প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৬০ জনে উন্নীত করা হয়েছিল। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও দলীয় সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ক্ষমতাবলে যেকোনো সময় এই নতুন নিয়োগ ও রদবদলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। অবশ্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘এ বিষয়ে দলের চেয়ারম্যান ও সরকার প্রধান তারেক রহমানই ভালো বলতে পারবেন। তিনি কখন কাকে নেবেন, কোথায় দেবেন এটা তার এখতিয়ার।’সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো কোনো মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর অধীনে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকায় তারা কাজ সামলাতে হিমসিম খাচ্ছেন। ফলে কাজে আরও গতি আনতে এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো হলে তা হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ক্ষমতাবলে যেকোনো সময় এই ঘোষণা আসতে পারে।  
৬ ঘন্টা আগে

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে শাহাদত বার্ষির্কীর আলোচনা সভায় ডা. শাহাদাত হোসেন

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে শাহাদত বার্ষির্কীর আলোচনা সভায় ডা. শাহাদাত হোসেন

সরানো হচ্ছে সড়ক পরিবহনের শেখ রবিকে, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে আলোচনায় নতুন মুখ

সরানো হচ্ছে সড়ক পরিবহনের শেখ রবিকে, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে আলোচনায় নতুন মুখ

সড়ক প্রশস্ত করতে কাটা হলো কয়েক'শ গাছ, দেখার কেউ নেই

সড়ক প্রশস্ত করতে কাটা হলো কয়েক'শ গাছ, দেখার কেউ নেই

১৮ বছরের নিচে তামাক পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

১৮ বছরের নিচে তামাক পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

আইপিএলে দ্বিতীয় শিরোপা জিতল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

আইপিএলে দ্বিতীয় শিরোপা জিতল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির

বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের দিন শেষের পথে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের দিন শেষের পথে

মাদকমুক্ত ভবিষ্যতের সন্ধানে: সংকট ও সমাধান নিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা

মাদকমুক্ত ভবিষ্যতের সন্ধানে: সংকট ও সমাধান নিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা

জুলাই গ্রাফিতিতে সাটানো নির্বাচনি পোস্টার অপসারণ করে জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ

জুলাই গ্রাফিতিতে সাটানো নির্বাচনি পোস্টার অপসারণ করে জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রচার, এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রচার, এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার

মাদকমুক্ত ভবিষ্যতের সন্ধানে: সংকট ও সমাধান নিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা

বর্তমান সময়ে মাদক শুধু একটি সামাজিক সমস্যা নয়, এটি যুবসমাজের ভবিষ্যতের জন্য এক বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যেও মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। হতাশা, বেকারত্ব, খারাপ সঙ্গ এবং সামাজিক অবক্ষয়ের সুযোগ নিয়ে মাদক ধীরে ধীরে গ্রাস করছে সম্ভাবনাময় একটি প্রজন্মকে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বলছে, দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ বর্তমানে মাদকাসক্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। যুবসমাজের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে পড়ার পেছনে বেকারত্ব, মানসিক হতাশা, পারিবারিক অশান্তি, কৌতূহল এবং খারাপ সঙ্গকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব এবং মাদকের সহজলভ্যতা এ সংকটকে আরও জটিল ও গভীর করে তুলছে।আজ রবিবার (৩১ মে) 'বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস' কেন্দ্র করে মাদকমুক্ত ভবিষ্যতের সন্ধানে: সংকট ও সমাধান নিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের ভাবনা তুলে ধরেছেন দ্য নেক্সট নিউজ'র রিপোর্টার মংক্যএ মার্মা।মাদক প্রতিরোধে প্রয়োজন পরিবার, শিক্ষা ও সচেতনতার সমন্বয়বর্তমান সময়ে মাদকাসক্তি তরুণ সমাজের জন্য একটি গুরুতর সামাজিক ও মানসিক সংকট। এটি শুধু একজন ব্যক্তির ভবিষ্যৎ নষ্ট করে না, বরং পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনেক তরুণ হতাশা, কৌতূহল, বন্ধুদের প্রভাব বা পারিবারিক সমস্যার কারণে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে। কুবি শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা মনে করি, এই সংকট মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, পারিবারিক বন্ধন শক্তিশালী করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে নিয়মিত প্রচার, কাউন্সেলিং সেবা এবং আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও সম্ভাবনাময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।সামিয়া নাজ স্বীকৃতি, শিক্ষার্থী, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগমাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়তে এগিয়ে আসতে হবে সবাইকেমাদকাসক্তি বর্তমানে তরুণ সমাজের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপ, হতাশা, পারিবারিক সমস্যা কিংবা ভুল সঙ্গের কারণে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে। কিন্তু সাময়িক স্বস্তি দিতে পারলেও মাদক শেষ পর্যন্ত একজন মানুষের স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করে দেয়।আমার মতে, এ সমস্যা সমাধানে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, কাউন্সেলিং, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে নিয়মিত সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে।তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই একটি সুস্থ, সচেতন ও মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তাসনিমুর রহমান তানিম, শিক্ষার্থী লোক প্রশাসন বিভাগপ্রতিটি অপরাধের পেছনেই থাকে একটি গল্পআজ যদি একটি আদালত বসে, আর সেখানে “মাদক” একটি মামলার আসামি হয়ে দাঁড়ায় তবে প্রশ্ন উঠবে, আসল অপরাধী কে? মাদক, নাকি সেই সমাজ, যে নিঃশব্দে একজন তরুণকে তার দিকে ঠেলে দেয়? কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটে আমরা দেখি—অপূর্ণ স্বপ্ন, অব্যক্ত চাপ, আর অদৃশ্য একাকীত্ব অনেককে এমন এক পথে নিয়ে যায়, যেখানে মাদক তার পালানোর দরজা হয়ে ওঠে। আইনের চোখে এটি অপরাধ কিন্তু প্রতিটি অপরাধের পেছনে থাকে একটি গল্প, একটি ভাঙা মানসিকতা, একটি অবহেলিত আর্তনাদ। আমরা কি শুধু শাস্তি দিয়েই এই সমস্যার সমাধান চাই? নাকি আমরা সাহস করে স্বীকার করব আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা, আমাদের সামাজিক কাঠামোও এই অপরাধে নীরব অংশীদার?উত্তরণ তাই কেবল আইনের কঠোরতায় নয়; বরং মানবিকতা, সচেতনতা এবং পারস্পরিক দায়বদ্ধতায়। বিশ্ববিদ্যালয়কে হতে হবে এমন এক জায়গা, যেখানে একজন তরুণ বিচার নয়, বোঝাপড়া পায়; যেখানে পতনের আগে কেউ তার হাতটা ধরে। কারণ, প্রতিটি আসামির ভেতরেই লুকিয়ে থাকে একটি সম্ভাবনা যাকে আমরা যদি সুযোগ দিই, তবে সে অপরাধী নয়, পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে।সুপ্ত ভৌমিক, শিক্ষার্থী আইন বিভাগঅন্ধকারের পথে নয়, প্রয়োজন একটি হাতস্বপ্ন দেখা মানুষগুলো হঠাৎ হারিয়ে যায়— রাস্তায় নয়, নিজের ভেতরে। আজকের তরুণ প্রজন্ম যখন বাস্তবের কঠিন দেয়ালে বারবার ধাক্কা খায়, তখন সে খোঁজে একটুখানি স্বস্তি। আর সেই দুর্বল মুহূর্তেই মাদক এসে পাশে দড়ায়, "আমি আছি।"সংকটটা আসলে মাদকের নয়, সংকট সেই গভীর একাকীত্বের। যে একাকীত্ব পরিবারের ভিড়েও জন্ম নেয়, সাফল্যের চাপে বেড়ে ওঠে, আর নীরবতায় পরিপক্ব হয়।উত্তরণ আসবে না কেবল আইনের কঠোরতায়। আসবে যেদিন একজন বাবা ফলাফলের আগে জিজ্ঞেস করবেন "তুমি কেমন আছ?" যেদিন একজন বন্ধু বিচার না করে পাশে বসবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আগে গড়তে হবে অনুভূতি ধারণ করার মতো একটি মানবিক পরিবেশ। কারণ যে তরুণের হাত ধরার মানুষ আছে, সে কখনো অন্ধকারের দিকে হাঁটে না।বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদকাসক্তি শুধু শারীরিক ক্ষতিই করে না, এটি পরিবার, সমাজ ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্যও বড় হুমকি। মাদকের কারণে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি বাড়ছে অপরাধ ও সামাজিক অস্থিরতা। এ সংকট মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হতে পারে উত্তরণের পথ। মাদককে না বলে জীবন ও সম্ভাবনাকে বেছে নিলেই গড়ে উঠবে একটি সুস্থ, নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ।নুসরাত জাহান রিফাহ, শিক্ষার্থী লোক প্রশাসন বিভাগ

মাদকমুক্ত ভবিষ্যতের সন্ধানে: সংকট ও সমাধান নিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

  বিএনপি
  জামাতে ইসলামী
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন