ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho - বাংলাদেশ ও বিশ্বের সংবাদ

সর্বশেষ
নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক পঙ্গু রোগীকে হুইল চেয়ার প্রদান

নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক পঙ্গু রোগীকে হুইল চেয়ার প্রদান

এপ্রিল ২০২৬, বুধবার নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ই বেংগল) এর উদ্যোগে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নানিয়ারচর জোন কর্তৃক একজন অসুস্থ ও পঙ্গু রোগীকে একটি হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়েছে।সকাল ১০: ৩০ ‌মি‌নি‌টের সময় নানিয়ারচর জোন সদরে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে নানিয়ারচর জোনের জোন কমান্ডার বিএ-৭৯০০ লেঃ কর্নেল মোঃ মশিউর রহমান, পিএসসি এবং জোন উপ-অধিনায়ক বিএ-৮২২০ মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈম এর উপস্থিতিতে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে একজন অসুস্থ ও পঙ্গু রোগীকে একটি হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়।নানিয়ারচর জোনের আওতাধীন ইসলামপুর বৌ বাজার এলাকার বাসিন্দা শাজাহান খান গাছ থেকে পড়ে গিয়ে উরুর হাড় (ফিমার) ভেঙ্গে গুরুতরভাবে আহত হন। পরবর্তীতে তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ কষ্ট করে ক্রাচের সাহায্যে চলাফেরা করছিলেন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নানিয়ারচর জোন কর্তৃপক্ষ তাকে একটি হুইল চেয়ার প্রদান করে। হুইল চেয়ার পেয়ে শাজাহান খান অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং নানিয়ারচর জোনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাসরত অসহায় ও দুস্থ জনগণের কল্যাণে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন জনসেবামূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই সহায়তা প্রদান করা হয়।এই ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।  এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
১৬ ঘন্টা আগে

নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক পঙ্গু রোগীকে হুইল চেয়ার প্রদান

নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক পঙ্গু রোগীকে হুইল চেয়ার প্রদান

পরকীয়ার জেরে শিশুসন্তানকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

পরকীয়ার জেরে শিশুসন্তানকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

জরুরি বিভাগে চিকিৎসক অনুপস্থিত: আক্কেলপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার মৃত্যু

জরুরি বিভাগে চিকিৎসক অনুপস্থিত: আক্কেলপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার মৃত্যু

প্রত্যাশী-সিমস প্রকল্পের আয়োজনে চট্টগ্রামে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সমন্বয় সভা

প্রত্যাশী-সিমস প্রকল্পের আয়োজনে চট্টগ্রামে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সমন্বয় সভা

“প্রতিভা থেকে নেতৃত্বে: জাতীয় ট্যালেন্ট হান্ট কর্মসূচির পুনর্জাগরণে আগামীর বাংলাদেশ”

“প্রতিভা থেকে নেতৃত্বে: জাতীয় ট্যালেন্ট হান্ট কর্মসূচির পুনর্জাগরণে আগামীর বাংলাদেশ”

বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উপল‌ক্ষে যুক্তরাজ‌্যের নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপন

বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উপল‌ক্ষে যুক্তরাজ‌্যের নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপন

ভোলাহাটে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ভোলাহাটে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেট নিয়ে বিরোধ: সমাধানে মতবিনিময়

কালেক্টরেট জামে মসজিদ মার্কেট নিয়ে বিরোধ: সমাধানে মতবিনিময়

ফরমালিন মুক্ত জৈব বাজার কর্ণার স্থাপিত হলো থানচিতে

ফরমালিন মুক্ত জৈব বাজার কর্ণার স্থাপিত হলো থানচিতে

সাইপ্রাসে দুঃস্বপ্নের দিন-রাত বাংলাদেশি পড়ুয়াদের

“কষ্টে কান্না চলে আসে; টাকা শেষ হয়ে যায়, খাওয়ার টাকা থাকে না। ২-৩ দিন না খেয়েও থাকতে হয় টাকা বাঁচানোর জন্য।”উচ্চশিক্ষার জন্য সাইপ্রাসে আসা শেখ আবদুল আহাদের কণ্ঠে ঝরছিল দুর্দশার কথা। কাজের সুযোগসহ পড়াশোনার উদ্দেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশটিতে পাড়ি দিয়ে বিপদে পড়েছে শত শত বাংলাদেশি।আহাদ বলছিলেন, “৮ মাসে কাজ খুঁজতে খুঁজতে পাঁয়ের জুতা ক্ষয় হয়ে গেছে, তবুও কাজ পেলাম না।”শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বর্তমানে সাইপ্রাসে আসতে একজন শিক্ষার্থীকে ১০-১২ লাখ টাকা গুনতে হচ্ছে। ঋণের টাকায় সাইপ্রাসে গিয়ে এক বছরের মধ্যে তা পরিশোধের ভাবনা ছিল অনেকেরই। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, খাওয়া-পরার টাকাই জোটানো কঠিন ঠেকছে। অনেকের মা-বাবা ছেলের ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে ভিটেমাটি পর্যন্ত বেচতে বাধ্য হচ্ছেন।জাহিদ আহমেদ নামের একজন বললেন, “সাইপ্রাস আসছি ৫ মাস হয়েছে, এখনো কাজ পাইনি। দেশের ঋণের টাকার দুশ্চিন্তায় একদিনও ঘুমাতে পারিনি।”অভিজ্ঞ বাংলাদেশি প্রবাসীরা বলছেন, এখানে কয়েক বছর পরপর বাংলাদেশিদের জন্য ‘স্টুডেন্ট ভিসা’ বন্ধ রাখা হয়। এরপর আবারও সেই ভিসা চালু করা হয়।“এটা হল সাইপ্রাস সরকারের একটা কৌশল। যখনই তাদের অর্থের প্রয়োজন হয়, তখনই বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান থেকে স্টুডেন্ট এনে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। আর তাদের সেই ট্র‍্যাপে পাঁ দিয়ে পথে বসে হাজার হাজার বাংলাদেশি স্টুডেন্ট,” বলছিলেন দীর্ঘদিন ধরে সাইপ্রাসে থাকা এক বাংলাদেশি।বাংলাদেশিদের কয়েকজন জানান, ভিসা খোলার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন এজেন্সি ও সাইপ্রাসে থাকা বাংলাদেশি দালালচক্র নানা প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে শত শত শিক্ষার্থী এনে থাকে। সাইপ্রাসে শিক্ষার্থী আনা দালালদের মধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও আছেন, যারা সাইপ্রাস থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অভিবাসী হয়েছেন।কয়েকজন প্রবাসী বলেন, সাইপ্রাস আসার জন্য অ্যাকাডেমিক কোয়ালিফিকেশনের পাশাপাশি ন্যূনতম আইএলটিএস স্কোরের দরকার পড়ে। দালালরা ভুয়া সনদ বানিয়ে কলেজগুলোর শর্ত পূরণ করে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জেনেও না জানার ভান করে। কারণ তাদের দরকার মোটা অংকের টিউশন ফি।নাহিদ নামের এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বলেন, দালাল তাকে ১২০০ ইউরো বেতনের চাকরি দেয়ার কথা বলে সাইপ্রাস আনার পর এক বছর হয়ে গেলেও কাজ পাননি।তবে একরাম নামের একজন বলেন, “সাইপ্রাস আসছি এক বছর হলো। তার ভেতর দুইমাস গাছ কাটার কাজ করছি, একমাস বাগান পরিষ্কারের কাজ করছি, আর দুইমাস বিভিন্ন কাজ করে এক বছরে ৩০০০ ইউরো ইনকাম করেছি।”কাজ শিখে আসার পরামর্শসাইপ্রাসে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন, এমন কয়েকজন বাংলাদেশির ভাষ্য, বাংলাদেশ থেকে এখানে যারা আসে, তাদের অনেকেই জানে না তারা কোন সাইপ্রাসে যাচ্ছে। দেশটি যে গ্রিক সাইপাস (রিপাবলিক অব সাইপ্রাস) এবং তুর্কি সাইপ্রাসে (নর্দার্ন সাইপ্রাস) বিভক্ত তা আসার পর জানতে পারেন অনেকেই। গ্রিক সাইপ্রাসই ‘সাইপ্রাস’ নামে পরিচিত; তবে দুই দেশের ভাষা, কাজের মান, শিক্ষাব্যবস্থা ও মুদ্রার মান ভিন্ন।সাইপ্রাসে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী মোজাম্মেল হোসেন তারেক বলেন, “বাংলাদেশ থেকে সাইপ্রাসে স্টুডেন্ট আসার আগে যেন অনলাইন বা বিভিন্ন মাধ্যমে আগে খোঁজ নিয়ে তারপর আসে।”সাইপ্রাস কৃষি নির্ভর বা শিল্প নির্ভরশীল না হওয়ায় দেশটিতে কাজ পাওয়া বেশ কঠিন। পর্যটক নির্ভর হওয়ায় দেশটিতে সারা বছর কাজ থাকে না। তবে যারা হোটেলে শেফের কাজ বা বিভিন্ন মেকানিক্যাল কাজ পারেন, তাদের জন্য মোটামুটি কাজ পাওয়া অনেক সহজ।বাংলাদেশ থেকে যারা আসে, সাধারণত তাদের এমন দক্ষতা থাকে না। ফলে কাজ খুঁজতে খুঁজতে মাসের পর মাস চলে গেলেও তা আর মেলে না। কারণ কাজ না জানা লোককে সাইপ্রাসে কেউ কাজে নেয় না।কাজ না পাওয়ার আরেক কারণ হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির বাধ্যবাধকতা। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন ক্লাস করা বাধ্যতামুলক। ক্লাস না করলে তারা ইমিগ্রেশনে রিপোর্ট দেয়। আবার ঠিকমতো ক্লাস করতে গেলে কাজে যাওয়া সম্ভব হয় না। তার মধ্যে আবার পুলিশের কাছে ধরা খাওয়ার ঝুঁকি তো রয়েছেই।অভিজ্ঞ বাংলাদেশিরা বলছেন, কাজ খুঁজতে খুঁজতে ছয় মাস, একবছর চলে যায়। এরপর ভিসা রিনিউ করার সময় চলে আসে, যার জন্য গুনতে হয় ২৫০০-৩০০০ ইউরো। কেউ কেউ দেশ থেকে টাকা আনতে পারলেও বেশিরভাগ শিক্ষার্থী এক-দুই বছর পরে অবৈধ হয়ে যান।সাইপ্রাসে এসে ছাত্রীদেরও বেশ ঝক্কি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয়রাই রেস্তোরাঁ, হোটেল, সুপারশপের কাজ করায় বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল থেকে আসা ছাত্রীদের কাজ পাওয়া খুবই কঠিন। বাধ্য হয়ে তাদের অনেকেই বাসার কাজ করে, কেউ কেউ সুপার মার্কেটে ক্লিনিংয়ের কাজ করে, আবার কেউ কেউ অনলাইনে খাবারের ব্যবসা করে।অভিজ্ঞ প্রবাসী নাহিদা আক্তার বলেন, “বাংলাদেশ থেকে যেসব মেয়েরা আসবে, তারা যেন সেলাই কাজ বা রেস্টুরেন্টের শেফের কাজ শিখে আসে; তাহলে কাজ পাওয়া সহজ হবে।”  

সাইপ্রাসে দুঃস্বপ্নের দিন-রাত বাংলাদেশি পড়ুয়াদের
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

  বিএনপি
  জামাতে ইসলামী
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন