ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho - Current & Breaking News Bangladesh & World

সর্বশেষ
ফুলের শুভেচ্ছায় যবিপ্রবির রসায়ন বিভাগে নবীনদের বরণ, বিদায়ীদের সংবর্ধনা

ফুলের শুভেচ্ছায় যবিপ্রবির রসায়ন বিভাগে নবীনদের বরণ, বিদায়ীদের সংবর্ধনা

নতুন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ আর বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানানোর মধ্য দিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) রসায়ন বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, ইতিবাচক গুণাবলি অর্জন এবং সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রসায়ন বিভাগ। পরে সন্ধ্যায় বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে নতুন পরিবেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি বিচার-বিবেচনা ও মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য; ভয়ের পরিবেশ কিংবা র‌্যাগিং কোনোভাবেই কাম্য নয়।”নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান ও আলোর জায়গা। এখান থেকে ইতিবাচক গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের লক্ষ্য কেবল প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জন নয়; প্রকৃত শিক্ষা মানুষের আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। এ সময় তিনি জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক স্নেহ, শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের বন্ধন সুদৃঢ় রাখার আহ্বান জানান।”রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে. এম. আনিস-উল-হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাফিজ উদ্দিন। এ সময় বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. কোরবান আলী, ড. সুমন চন্দ্র মোহন্তসহ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয় এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
৪ ঘন্টা আগে

ফুলের শুভেচ্ছায় যবিপ্রবির রসায়ন বিভাগে নবীনদের বরণ, বিদায়ীদের সংবর্ধনা

ফুলের শুভেচ্ছায় যবিপ্রবির রসায়ন বিভাগে নবীনদের বরণ, বিদায়ীদের সংবর্ধনা

মাভাবিপ্রবির দুই হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ

মাভাবিপ্রবির দুই হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ

জবির ছাত্রী হলে চুরি, দায়সারা বক্তব্য প্রশাসনের

জবির ছাত্রী হলে চুরি, দায়সারা বক্তব্য প্রশাসনের

মাভাবিপ্রবির তিন আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ

মাভাবিপ্রবির তিন আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ

সুন্দরবনের গহিনে ২১ জেলে নিখোঁজ, ১২ দিনেও ফেরেনি স্বজনের খোঁজ

সুন্দরবনের গহিনে ২১ জেলে নিখোঁজ, ১২ দিনেও ফেরেনি স্বজনের খোঁজ

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা পঞ্চমবার পাবিপ্রবির নূর আলম

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা পঞ্চমবার পাবিপ্রবির নূর আলম

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় পাবিপ্রবির ৮ শিক্ষক

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় পাবিপ্রবির ৮ শিক্ষক

পাবিপ্রবিতে আবারও র‍্যাগিং,  হাসপাতালে নারী শিক্ষার্থী

পাবিপ্রবিতে আবারও র‍্যাগিং, হাসপাতালে নারী শিক্ষার্থী

বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক

বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক

২য় সমাবর্তনের ফি বৃদ্ধি ও প্রফেশনালদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে জবিতে সমালোচনার ঝড়

২য় সমাবর্তনের ফি বৃদ্ধি ও প্রফেশনালদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে জবিতে সমালোচনার ঝড়

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা পঞ্চমবার পাবিপ্রবির নূর আলম

 বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর ২০২৬ সালের তালিকায় আবারও স্থান পেয়েছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম। ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর এই তালিকায় তাঁর অন্তর্ভুক্তি শিক্ষকতা ও গবেষণাজীবনে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।অধ্যাপক ড. নূর আলমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সমগ্র গবেষণাজীবনের প্রভাবভিত্তিক ‘ক্যারিয়ার লং’ বিভাগে ২০২৬ সালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র গবেষক হিসেবে তিনি স্থান পেয়েছেন। এ বছর একক বছরের গবেষণা প্রভাবভিত্তিক ‘সিঙ্গেল ইয়ার’ তালিকাতেও তাঁর নাম রয়েছে। সংযুক্ত স্বীকৃতির নথিতে তথ্যের উৎস হিসেবে এলসেভিয়ার ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে।বর্তমানে তিনি  মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যাথমেটিক্যাল সায়েন্সেসে পোস্টডক্টরাল রিসার্চ ফেলো হিসেবে কর্মরত। তিনি বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিনের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতাকে যুক্ত করে ফলিত ও গণনামূলক গণিতের বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করছেন ।তাঁর গবেষণার উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে অরৈখিক তরঙ্গ ও সলিটন, ভগ্নাংশিক ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ, গাণিতিক ও জ্যামিতিক মডেলিং এবং তরল প্রবাহ ও তাপ সঞ্চালনের সংখ্যাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। পাশাপাশি মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে জটিল ব্যবস্থার আচরণ বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস নিয়েও গবেষণা করছেন। এসব কাজে গণিতের তত্ত্ব ও গণনাপদ্ধতির মাধ্যমে পদার্থবিজ্ঞান ও প্রকৌশলের সমস্যার সমাধান অনুসন্ধান করা হয়।তাঁর জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, দেড় শতাধিক প্রকাশনা রয়েছে। বিভিন্ন দেশের গবেষকদের সঙ্গে যৌথ গবেষণার পাশাপাশি তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের গবেষণা তত্ত্বাবধান করেছেন। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মূল বক্তা, আমন্ত্রিত বক্তা ও সেশন চেয়ার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।গবেষণায় অবদানের জন্য ২০২২ সালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পান অধ্যাপক ড. নূর আলম। তাঁর জীবনবৃত্তান্তে ২০২৬ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন মালয়েশিয়া থেকে ‘রিসার্চ ডুয়াম অ্যাকাডেমিশিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পাওয়ার তথ্যও রয়েছে।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে চীনের ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়না থেকে ২০২০ সালে গণনামূলক গণিতে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।২০১২ সালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে তাঁর শিক্ষকতা জীবন শুরু হয়। ২০২৪ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণায় যোগ দেন।এই অর্জন প্রসঙ্গে অধ্যাপক  ড. নূর আলম বলেন , “টানা পাঁচ বছর এই তালিকায় স্থান পাওয়া আমার জন্য আনন্দের। বিশেষ করে ক্যারিয়ার লং তালিকায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা আমার কাছে অনেক অর্থবহ। এই পথচলায় আমার শিক্ষক, সহগবেষক, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের অবদান রয়েছে। আমার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের ভালোবাসা এবং সহযোগিতা আমাকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার শক্তি দিয়েছে। তাঁদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”দেশে গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে গবেষণার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নিয়মিত দিকনির্দেশনা, প্রয়োজনীয় গবেষণা সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা দরকার। আমি চাই, আমার অভিজ্ঞতা তরুণ গবেষকদের কাজে আসুক। তাঁদের প্রশ্ন করতে, নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে এবং ব্যর্থতার পরও চেষ্টা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়াই হবে এই স্বীকৃতির একটি অর্থপূর্ণ প্রতিদান।”

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা পঞ্চমবার পাবিপ্রবির নূর আলম
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

  বিএনপি
  জামাতে ইসলামী
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন